অস্ট্রেলিয়ায় বাড়তে পারে গম উৎপাদন

অস্ট্রেলিয়ায় ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে (অক্টোবর-সেপ্টেম্বর) বাড়তে পারে গম উৎপাদন।

অস্ট্রেলিয়ায় ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে (অক্টোবর-সেপ্টেম্বর) বাড়তে পারে গম উৎপাদন। এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে দেশটির পূর্ব উপকূলে অনুকূল আবহাওয়া ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল কমোডিটি ইনসাইটসের প্ল্যাটস জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ।

বাজার বিশ্লেষকদের অনুমান অনুযায়ী, চলতি বিপণন বর্ষে অস্ট্রেলিয়ায় গম উৎপাদন এর আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ লাখ টন বেড়ে ৩ কোটি টনের ওপর পৌঁছতে পারে। অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রিসোর্স ইকোনমিকস (এবিএআরইএস) জানায়, ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে গম উৎপাদন ৩ কোটি ১৯ লাখ টন হতে পারে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি।

তবে অস্ট্রেলিয়ার গমের মান কমার বিষয়ে এখনো উদ্বেগ রয়ে গেছে। কারণ নভেম্বরের শেষে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে জমি থেকে ফসল সংগ্রহ বিলম্ব হয়েছিল। দেশটির বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট এক সূত্র থেকে জানা যায়, ‌পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পরিস্থিতি এতটা খারাপ নয়, তবে পূর্ব উপকূলে নভেম্বরের শেষের দিকে অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক বাণিজ্যিক অনুমান অনুযায়ী, ভিক্টোরিয়া ও দক্ষিণ নিউ সাউথ ওয়েলসে ৩০-৪০ লাখ টন গমের মান খারাপ হতে পারে। তবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় ফসল কাটা পুনরায় শুরু হওয়ায় প্রভাব প্রত্যাশার চেয়ে কম হতে পারে।

পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার কৃষকরা ফসলের গমে প্রোটিনের পরিমাণ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন। তবে অন্য এক ব্যবসায়ী জানান, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রোটিন ও মানের কারণে দাম বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাণিজ্য অংশগ্রহণকারীদের মতে, অস্ট্রেলিয়া ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে ২ কোটি ২০ লাখ থেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টন গম রফতানি করতে পারে। এবিএআরইএসের অনুমান অনুযায়ী, এ সময় দেশটির রফতানির পরিমাণ হতে পারে দুই কোটি নয় লাখ টন, আগের বিপণন বর্ষে যা ছিল ২ কোটি ২৫ লাখ টন।

এদিকে এশিয়ার দেশগুলোয় চলতি বছরের বেশির ভাগ সময় গমের চাহিদা ছিল নিম্নমুখী। এর প্রধান কারণ বিশ্ববাজারে চীনের অনুপস্থিতি। তবে অক্টোবরে দেশটি আবার এ পণ্যের ক্রয় বাড়ায়। এছাড়া বিশ্ববাজারে দাম কমার ফলে এশিয়ার অন্যান্য দেশও তাদের আমদানি বাড়িয়েছে।

আরও